চট্টগ্রাম বন্দরে ছয়টি জ্বালানিবাহী জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, এসব জাহাজে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল এবং শিল্পকারখানার কাঁচামাল রয়েছে। একই সঙ্গে আরও চারটি জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থান করছে এবং চলতি সপ্তাহের মধ্যে সেগুলো বন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব জাহাজের জ্বালানি সরবরাহের ফলে আগামী দেড় মাসের জ্বালানির চাহিদা মেটানোর মতো মজুত নিশ্চিত রয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় মোট ১৫টি জ্বালানিবাহী জাহাজ অবস্থান করছে, যার মধ্যে এলপিজি, এলএনজি, গ্যাস, কেমিক্যাল, ক্রুড অয়েল ও ডিজেলবাহী জাহাজ রয়েছে। সম্প্রতি সিঙ্গাপুর থেকে দুটি ট্যাংকার বিপুল পরিমাণ ডিজেল নিয়ে বন্দরে পৌঁছেছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও কয়েকটি ট্যাংকার আসার কথা রয়েছে। তবে অতীতে জ্বালানিবাহী জাহাজে রহস্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনার প্রেক্ষিতে সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কা থেকে বহির্নোঙরে থাকা জাহাজগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের জন্য নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।