মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে হরমুজ প্রণালীতে জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি বাড়লেও ইরান বাংলাদেশের তেল ও এলএনজি বহনকারী জাহাজগুলোকে অবরোধ করবে না বলে নিশ্চিত করেছে — শর্তসাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগাম নোটিশ দিলে এসব জাহাজ নিরাপদে প্রণালীর মধ্য দিয়ে চলাচল করতে পারবে, বাংলাদেশ অর্থ ও শক্তি সরবরাহ বিভাগের কর্মকর্তারা আজ জানিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে মূলত জ্বালানি সংকটের শঙ্কা কিছুটা কমলেও দীর্ঘমেয়াদে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল থাকায় বাংলাদেশ সরকার চাহিদা মেটাতে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি ও চীনের মতো অংশীদারদের কাছ থেকে জ্বালানি সরবরাহ প্রসারের প্রস্তাব নেয়, পাশাপাশি সরবরাহ চেইনে বৈচিত্র আনতে ডাইরেক্ট পারচেজ পদ্ধতি অনুসরণের পরিকল্পনা করছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে ইতোমধ্যেই সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ২৭,০০০ টন ডিজেলসহ মোট পাঁচটি ট্যাঙ্কার আগমনের মাধ্যমে মার্চের চাহিদার একটি বড় অংশ ঢাকায় পৌঁছতে শুরু করেছে, কিন্তু চলমান যুদ্ধের কারণে দীর্ঘমেয়াদে সরবরাহ অনিশ্চিত থাকায় বাংলাদেশ সরকার এপ্রিলের জন্য প্রায় তিন লাখ টন ডিজেল সরাসরি ক্রয় করতে উদ্যোগ নিয়েছে। এতে চাহিদা পূরণের পাশাপাশি তেলের মূল্যস্ফীতি ও অভ্যন্তরীণ জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ভারত ও চীন সরকারের সমর্থনের মাধ্যমে পরিস্থিতির মোকাবিলা করার আশ্বাস পাওয়া গেছে।