ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের মধ্যেই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার সম্ভাব্য পথ খুঁজছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের ভেতরেই তৈরি হয়েছে তীব্র মতপার্থক্য। একদিকে কিছু অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা ট্রাম্পকে সতর্ক করছেন যে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বাড়তে পারে, যার রাজনৈতিক মূল্যও তাকে দিতে হতে পারে। অন্যদিকে রিপাবলিকান দলের কিছু কট্টরপন্থি নেতা ইরানের ওপর সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
এদিকে যুদ্ধ শুরুর পর ট্রাম্পের বক্তব্যেও দেখা যাচ্ছে পরস্পরবিরোধী বার্তা। কখনও তিনি দাবি করছেন যে অভিযানের লক্ষ্য অনেকটাই পূরণ হয়েছে, আবার কখনও বলছেন কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া এবং তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় দ্রুত যুদ্ধের ইতি টানার চাপ বাড়ছে। একই সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে এমন একটি অবস্থান তৈরি হয়েছে, যেখানে কেউ দ্রুত ‘সীমিত সাফল্য’ ঘোষণা করে সংঘাত শেষ করার পরামর্শ দিচ্ছেন, আবার কেউ ইরানের ওপর সামরিক চাপ আরও জোরদার করতে চাইছেন।